








সুন্দরবনের শ্বাসমূল ও জলধারা
বিশ্বের বৃহত্তম নিরবচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বনের জোয়ার-ভাটার খেলা আর বুনো হরিণ ও চিত্রল বাঘের সুরক্ষিত প্রাকৃতিক আবাসভূমি।
শ্রীমঙ্গলের বৃষ্টিধৌত চা-উপত্যকা
ধোঁয়াটে কুয়াশায় ঢাকা সবুজ পাহাড়ি ঢাল, শতাব্দীর প্রাচীন বাগান সংস্কৃতি এবং আদিবাসী লোকজীবনের স্নিগ্ধ নীরব সুর।
সাজেক ও পাহাড়ের মায়াজাল
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচুতে মেঘ ও সবুজ গিরিশ্রেণীর আলিঙ্গন, যেখানে আদিবাসী পল্লীর বাঁশের মাচা আর পাহাড়ি বাতাসে সময় থেমে থাকে।
উত্তরবঙ্গের লাল মাটির প্রত্নতত্ত্ব
কান্তজিউ মন্দিরের অনন্য টেরাকোটা ফলক আর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের প্রাচীন স্থাপত্যে মুদ্রিত রয়েছে মধ্যযুগীয় বাংলার সমৃদ্ধ শিল্পকলা।


জামদানি তাঁতের জীবন্ত জ্যামিতি
শীতলক্ষ্যা নদীর আর্দ্র বাতাসের স্পর্শে কাঠের প্রাচীন তাঁতে বোনা হয় বিশ্বখ্যাত জামদানি। সূক্ষ্ম সুতার প্রতিটি টানে ফুটে ওঠে যুগ যুগ ধরে টিকে থাকা পূর্বপুরুষের নিখুঁত নকশা ও কারিগরদের নিঃশব্দ সাধনা।
সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জের গ্রামীণ কর্মশালায় কোনো আধুনিক নকশার খসড়া ছাড়াই কেবল স্মৃতি আর অনুভূতির শক্তিতে এই অনুপম বস্ত্র রূপ পায়।
পলিমাটির উর্বরতায় জন্ম নেওয়া এক প্রাচীন সভ্যতা, যার স্পন্দন বহমান পদ্মা-মেঘনার সহস্র ধারায়।
শহুরে কোলাহল ছাড়িয়ে নিবিড় সবুজ, ঋতুভেদে বদলে যাওয়া নদীর কূল আর মানুষের অকৃত্রিম আতিথেয়তাই এই শ্যামল বদ্বীপের চিরন্তন পরিচয়।
আটটি প্রশাসনিক বিভাগের প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব, বনভূমি এবং সংরক্ষিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিশদ অধ্যায় পড়তে আমাদের সংগ্রহশালায় প্রবেশ করুন।




